Showing posts with label দো'য়াসমূহ. Show all posts
Showing posts with label দো'য়াসমূহ. Show all posts

Sunday, April 16, 2017

জেনে নিন নামাজের ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত , মোস্তাহাবসমুহ ও মাকরুহসমুহ



সালাতের ফরজ ১৩ টি যথাঃ
[ একটি ফরজ ছুটে গেলে নামাজ হবে না, সুতারং নামাজের ফরজ সমূহ জানা জরুরী ]

১.   ইহরামের তাকবীর বলা,
২.   সূরা ফাতিহা পড়া,
৩.  রুকুতে যাওয়া,

Wednesday, March 1, 2017

জেনে নিন মেধা শক্তি বৃদ্ধির কিছু আমল ও তার ফযিলত

১। বর্ণিত আছে যদি তুমি চাও যে, তোমার পঠিত একটি অক্ষর ও ভুলবে না, তবে সর্বদা পড়া আরম্ব করার সময় এই দো’য়াটি পড়ে লও। ( ৭বার)
اللهم افتح علينا حكمتك وانشر علينا رحمتك ياذا الجلال والاكرام -

২। যদি তুমি বেশি পরিমানে স্মরণশক্তি লাভ করতে চাও তবে প্রত্যেক ফরজ নামাযের পরে দো’য়াটি পড়ে লও। (১বার)

امنت بالله الواحد الحق لاشريكله وكفرت بماسواه
৩। প্রত্যাহ একশত বার পড়বে, (কেউ কেউ বলেছেন যে, এই দরুদের মধ্যে ইলমে লাদুন্নীর ফয়েজ আছে। ইহা আমল অজানা জিনিস ও অনেক সময় বুঝে আসে।
اللهم صل على سيدنا محمدن النبى الامى واله وسلم 

৪। আয়াত খানা প্রতিদিন ২১ বার পাঠ করবে।
رب اشرح لى صدرى ويسرلى امرى واحلل عقدة من لسانى يفقهو قولى - 

৫। পড়া আরম্ভ করার সময় নিম্ন লিখিত আয়াত খানা তিনবার পাঠ করবে।
سبحنك لا علم لنا الا ما علمتنا انك انت العلميم الحكيم-

জেনে নিন সকাল সন্ধার কিছু আমল ও তার ফযিলত

১। যে ব্যক্তি ফজর ও মাগরিব নামাযের পর সুরা হাসরের শেষ ৩ আয়াত আউযু বিল্লাহীচ্ছামীঈল আলিমি মিনাশ শাইত্বনির রজীম তিন বার পাঠ করে। হাসরের শেষ তিন আয়াত পাঠ করবে। তাহার জন্য ৭০ হাজার ফেরেশতা দোয়া ও মাগফিরাত করবে। এবং ঐ দিনে বা রাত্রে ইন্তেকাল করলে শহীদি মৃত্যু নসীব হইবে।

২। যে ব্যক্তি এই আয়াত খানা সাতবার পাঠ করবে, সকাল-সন্ধা আল্লাহ তা’য়ালা তাহার দুনিয়া ও আখেরাতের যাবতীয় চিন্তা ফিকির দুর করে দিবেন। এবং দুনিয়া ও আখরাতের সমস্ত সমস্যা সমাধান করবেন।
সুরা তাওবার শেষ আয়াত ৭ বার পাঠ করবেন।
حسبى الله لا اله الا هو عليه تو كلت وهو رب العرش العظيم-

৩। যে ব্যক্তি এই দো’য়া চারবার পাঠ করবেন, তাহার জন্য আল্লাহ তা’য়ালা কঠিন কঠিন চার টা রোগ থেকে মুক্ত করবেন। যেমন- অন্ধ, পাগল, কুষ্ঠ ও পারালাইসিস দো’য়াটি ৪ বার পাঠ করবেন।
سنحن الله العظيم وبحمده ولا حول ولاقوة الابالله

৪। যে ব্যক্তি ফজর ও মাগরিব নামাযের পর কথা-বার্তা না বলে এই দো’য়া সাতবার পাঠ করবে। সে ঐ রাত্র বা দিনে যদি মারা যায়, তবে দোয়খ থেকে নাজাত পাবে। দো’য়াটি ৭ বার পড়বে। اللهم اجرنى من انار হে আল্লাহ আমাকে দোযখের আগুন হইতে রক্ষা কর।

৫। যে ব্যক্তি খানা খাইয়া এই দু’য়া পাঠ করবে তাহার পুর্বাপর সমস্ত গুনাহ মাফ হইয়া যাইবে। এই দু’য়াটি একবার পাঠ করবেন। الحمد لله الذى اطعمنى هذاالطعام ورزقنيه من عير حول منى ولا قوة -

Friday, November 25, 2016

শরীর ব্যথায় যে দোয়া পড়তেন বিশ্বনবি

মাটি মানুষের থুথুর মাঝে আরোগ্য রয়েছে হজরত মোল্লা আলি কারি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, ‘আমি চিকিৎসা শাস্ত্রের কিছু আলোচনায় দেখেছি পরিশুদ্ধ মেজাজ পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে থুথুর বিশেষ প্রভাব রয়েছে আর মূল স্বভাব সংরক্ষণ করার ক্ষেত্রে মাটির বিশেষ উপকারিতা রয়েছে এমনিভাবে অসুস্থতার পাশ্বপ্রতিক্রিয়া প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও এর প্রভাব রয়েছে (মিরকাত) প্রসঙ্গে বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটি হাদিস তুলে ধরা হলো-

Thursday, November 17, 2016

কবরের আজাব থেকে নিরাপদ থাকার আমল

আল্লাহ তাআলা বান্দাকে তাঁর সুন্দর সুন্দর নামের জিকির বা আমল করার কথা বলেছেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে আলাদা আলাদাভাবে নামের জিকিরের আমল ঘোষণা করেছেন। আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নামসমূহের মধ্যে (اَلْقَابِضُ) ‘আল-ক্বাবিদুএকটি। যার অর্থ হলো- ‘বান্দার রিযিক অন্তর সকোচনকারী এবং রূহ কবজকারী।
সংক্ষেপে গুণবাচক নাম (اَلْقَابِضُ) ‘আল-আলিমু’-এর জিকিরের আমল ফজিলত তুলে ধরা হলো-
উচ্চারণ : ‘আল-ক্বাবিদু
অর্থ : ‘বান্দার রিযিক অন্তর সকোচনকারী এবং রূহ কবজকারী।

যে আমলে মানুষের প্রয়োজন পূরণ হয়

আল্লাহ তাআলা বান্দাকে তাঁর সুন্দর সুন্দর নামের জিকির বা আমল করার কথা বলেছেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে আলাদা আলাদাভাবে নামের জিকিরের আমল ঘোষণা করেছেন। আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নামসমূহের মধ্যে (اَلْبَاسِطُ) ‘আল-বাসিতুএকটি। যার অর্থ হলো- ‘বান্দার রিযিকের মধ্যে প্রশস্তকারী অথবা অন্তরকে প্রশস্তকারী।
সংক্ষেপে গুণবাচক নাম (اَلْبَاسِطُ) ‘আল-বাসিতু’-এর জিকিরের আমল ফজিলত তুলে ধরা হলো-
উচ্চারণ : ‘আল-বাসিতু

Saturday, August 20, 2016

খানা খাওয়ার দো'য়া

>> খানা সামনে আসলে এই দোয়া পড়তে হয়-

اَللّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيْما رَزَقْتَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

উচ্চারণঃ- আল্লাহুম্মা বারিকলানা ফিমা রাজাকতানা ওয়া কিনা আ‘জাবান নার।

>> খানা খাওয়ার শুরুতে এই দোয়া পড়তে হয়-

بِسْمِ اللّهِ وَ عَلى بَرَكَةِ اللهِ 

উচ্চারণঃ- বিস্মিল্লাহি ও‘আলা বারাকাতিল্লাহ

>> খানা খাওয়ার শুরুতে দোয়া পড়তে ভুরে গেলে খানার মাঝে স্মরণ আসার পর এই দোয়া পড়তে হয়-

بِسْمِ اللهِ أَوَّلَه وَآخِرَه 

উচ্চারণঃ- বিসমিল্লাহি আউয়্যালাহু ওয়া আখীরাহ।

পানি পান করার সকল দো'য়া

## পানি পান করার শুরুতে এই দোয়া পড়তে হয়-

بِسْمِ اللّه الرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ

উচ্চারণঃ- বিস্মিল্লাহির রাহমানির রাহীম।

## পান করা শেষ হলে এই দোয়া পড়তে হয়-

اَلْحَمْدُ لِلّهِ الَّذِيْ جَعَلَه عَذْبًا فُرَاطًا بِرَحْمَتِه وَ لَمْ يَجْعَلْه مِلْحًا اُجَاجًا بِذُنُوبِنَا

উচ্চারণঃ- আল্হামদুলিল্লাহীল্লাজী জা‘আলাহু আ‘জবান ফুরাতান ওয়া লাম ইয়াজআ‘ললাহু মিলহান উজাজান।

## চা, কফি, ঠান্ডা ইত্যাদি পানীয় পান করার সময় পড়তে হয়-

اَللّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيْه وزِدْنَا مِنْه

উচ্চারণঃ- আল্লাহুম্মা বারিকলানা ফীহী ওয়াজিদনা মিনহু।

## যমযমের পানি কিবলামূখী হয়ে পান করার সময় এই দোয়া পড়তে হয়-

اَللهُمِّ اِنّيْ اَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا وَرِزْقًا وَاسِعًا وَشِفَاءً مِنْ كُلِّ دَاءٍ


উচ্চারণঃ- আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘সআলুকা ই‘লমান নাফি‘আ ওয়া রিজকান ওয়াছি‘আ ওয়া সিফাআম মিন কুল্লি দায়ীন।

ঘুমানোর সময়, স্বপ্ন দেখা ও ঘুম থেকে উঠার দো'য়া

ঘুমানোর সময় এই দোয়া পড়তে হয়-

اَللّهُمَّ بِاسْمِكَ اَمُوْتُ وَاَحْيَا

উচ্চারণঃ- আল্লাহুম্মা বিস্মিকা আমুতু ওয়া আহ্ইয়া।

ঘুম থেকে উঠে এই দোয়া পড়তে হয়-

اَلْحَمْدُ لِلّهِ الَّذِيْ اَحْيَانَا بَعْدَ مَا اَمَاتَنَا وَ اِلَيْه النُّشُوْرِ

উচ্চারণঃ- আলহামদুলিল্লাহিল্লজী আহইয়ানা বাদা মা আমাতানা ওয়া ইলাইহীন নুশুর।

দুঃস্বপ্ন দেখলে এই দোয়া পড়বে-

দুঃস্বপ্ন দেখলে তিনবার ‘আউযুবিলস্নাহি মিনাশ শাইত্বানীর রাজীম’ পড়ে বাম দিকে থুথু ফেলে পার্শ্ব পরিবর্তন করে শুয়ে নিম্নের দুয়াটি পড়বে।

اَللهُمَّ اِنّيْ اَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ هذِه الرُّؤْيَا

উচ্চারণঃ আলস্নাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিন শাররী হাজিহীর রুঈয়া।

দুঃস্বপ্ন দেখিয়া ভীত হইলে, নিদ্রা না আসিলে অথবা হঠাৎ নিদ্রা ভঙ্গ হইয়া গেলে এই দোয়া পড়িবে-

اَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التّامَّةِ مِنْ غَضَبِهِ وَ عِقَابِهِ وَشَرِّ عِبَادِهِ وَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِيْنِ وَاَنْ يَحْضُرُوْنِ .


উচ্চারণঃ আউযু বি কালীমাতিলস্নাহিত তাম্মাতি মিন গাদাবিহি ওয়া ইকাবিহী ও র্শারী ইবাদিহী ওয়া মিন হামাযাতিশ্ শায়াতিনি ওয়া আয়ই ইয়াহজুরম্নন।

মসজিদে প্রবেশ ও বের হওয়ার দো'য়া

মসজিদে প্রবেশ কালে দু‘আ পড়া-

اَللهُمَّ افْتَحْ لِيْ اَبْوَابَ رَحْمَتِكَ 

উচ্চারণঃ- আল্লাহুম্মাফ তাহলি আবওয়াবা রাহমাতিক।

মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় দোয়া পড়া-

اَللهُمَّ أِنِّيْ اَسْاَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ 


উচ্চারণঃ- আল্লাহুম্মা ইন্নী আসয়ালুকা মিন ফাদলিক।

হাঁচি ও হাই তোলার দো'য়া

হাঁচি দিলে বলতে হয়-

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ 
উচ্চারণঃ আলহামদু লিল্লাহ।

অথবা ইহা বলিবেঃ
اَلْحَمْدُلِلَّهِ عَليَ كُلِّ حَالٍ  
উচ্চারণঃ আলহামদু লিল্লাহি আলা কুল্লি হাল।

অথবা ইহা বলিবেঃ  
اَلْحَمْدُلِلَّهِ حَمْدًا كَثِيْراًطيِّبًا مْبَارَكًا فِيْهِ مْبَارَكًا عَلَيْهِ كَمَا يُحِبُّ رَبُّنَاوَيَرْضَىَ
উচ্চারণঃ আলহামদু লিল্লাহে হামদান কাছীরান তৈয়্যেবান মুবারাকান ফীহে মুবারাকান আলাইহে কামা ইউহিব্বু রাব্বুনা ওয়া ইয়ারদা।

কেহ হাঁচি দিলে (যদি সেاَلْحَمْدُلِلَّهِ বলে ) তার উত্তরে বলবে-
يَرْحَمُكَ اللهُ  
উচ্চারণঃ ইয়ার হামুকাল্লাহ।

হাঁচি দাতা উত্তর দাতার يَرْحَمُكَ اللهُ শুনে উত্তরে বলবে-
يَهْدِيْكُمُ اللَّهُ وَيُصْلِحْ بَالَكُمْ  
উচ্চারণ- ইয়াহদি কুমুল্লাহু ওয়া ইউস্লিহ বালাকুম।

হাই আসিলে এই দু’আ পড়বে-
لاَحَوْلَ وَلاَقُوَّةَ اِلاّبِاللهِ الْعَلِىِّ الْعَظِيْمِ

উচ্চারণঃ- লা-হাওলা ওয়ালা-কুওয়্যাতা ইল্লা-বিল্লা-হিল্ আলিয়্যিল্ আযীম।